Tag archives for গ্রাম

ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে

Bookmark

Share

ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে দেশ পরিক্রমায় বেরিয়েছে মহামন্ত্রী। এ গ্রাম থেকে ও গ্রাম ঘুরে ঘুরে তিনি মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনছেন, তাঁদের নানা উপদেশ দিচ্ছেন, মানুষও তাঁকে সসম্মানে গ্রহন করছে। তাঁর পরামর্শ শুনছে। মহামন্ত্রীর এই জনপ্রিয়তা দেখে ঘোড়ার গাড়ির চালকটিরও খুব মন্ত্রী হওয়ার শখ হল। জোড়হাতে সে বলল, একবারের জন্য আপনি যদি আপনার পোশাকটি আমাকে দেন আর আমারটা আপনি পরেন, তা হলে আমার শখটা একটু মেটে।

মহামন্ত্রীর মনটা খুব উদার। সঙ্গে সঙ্গে নিজের পোশাকটি চালককে দিয়ে চালকের পোশাক পরে তিনি চালকের আসনে বসলেন। মহানন্ত্রী চালককে সতর্ক করে দিয়ে বললেন, দেখো কেবল মন্ত্রীর পোষাক পড়লেই হবে না। কেউ কোনো জটিল সমস্যার সমাধান চাইলে তাকে সঠিক পরামর্শও দিতে হবে।
– ও, আমি ঠিক সামলে নেব।

পরের গ্রামে নকল মন্ত্রী খুব সম্মান পেল। একজন এসে তার জটিল এক সমস্যার সমাধান চাইল।

নকল মন্ত্রী বলল, এটা কোন জটিল সমস্যা নয়। আমার চালকই পারবে। এই, ওকে সমস্যার সমাধানটা বলে দাও তো।

গ্রামের লোক শহরে

Bookmark

Share

গ্রামের এক লোক এসেছে শহরে বেড়াতে। একদিন শহরে সঙ্গীকে নিয়ে গেল সিনেমা দেখতে। সিনেমাটা ছিল টার্জানের। হঠাৎ বড় পর্দায় দেখা গেল ছুটে আসছে বিশাল সিংহ! গ্রামের লোকটি ভয় পেয়ে পরিমরি দৌড়ে হল থেকে বের হয়ে গেল! পরে শহরের সঙ্গী তাকে ধমকালো।
– কী ছেলেমানুষি করলেন এই সিনেমায় সিংহ দেখে ভয় পেয়ে পালালেন!
– আরে, এটা যে সিনেমা এটা আমিও জানি, তুমিও জানো, কিন্তু সিংহটা তো নাও জানতে পারে।

সন্ধ্যাবেলা গ্রামে

Bookmark

Share

সন্ধ্যাবেলা গ্রামের এক খাবারের দোকানে ঢুকলেন শহরের এক লোক।
– আচ্ছা, আপনারা বুনো হাঁসের মাংস দিতে পারেন?
– না, তবে সাধারণ হাঁসকে আপনার জন্য খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে এমন খেপিয়ে তুলতে পারি যে বুনো হয়ে উঠবে। তাতে চলবে?

বোকা লোক শহরে

Bookmark

Share

গ্রাম থেকে এক বোকা লোক শহরে এসেছে। গ্রামের লোকেরা জানিয়েছিল, শহরের লোক খুব চালাক। ওরা ঠকিয়ে দেবে কিন্তু। দেখে শুনে চলবে।
এক বিশাল বাড়ি দেখে অবাক হয়ে সে কয়তলা বাড়ি গুনতে লাগল। এ সময় এক ঠকবাজ এসে ধমক দিক, এই! কী করছ?
– বাড়িটা কয়তলা গুনছি।
– শহরের বাড়ির তলা গুনলে প্রতি তলার জন্য এক টাকা করে দিতে হয়। কয়তলা গুনেছ?
– দশ তলা।
– দাও, দশ টাকা দাও জলদি।
লোকটি টাকা নিয়ে চলে গেল।
গ্রামে গিয়ে বোকা লোকটি সবাইকে বলে বেড়াতে লাগল, শহরের লোক না কি খুব চালাক? আমি ঠকিয়ে এসেছি। শহরে বাড়ির তলা গুনলে প্রতি তলার জন্য এক টাকা দিতে হয়। আমি ১৫ তলা গুনে ১০ তলার দাম দিয়েছি।

তিন মাথা

Bookmark

Share

[গ্রাম্য কৌতুক]

– অমুক চাচা কেমন আছেন?
– ভালো না, উনি তো তিন মাথা হয়ে গেছেন।
– তাই না কি? হায় হায়!!

_________________________
(গ্রামে তিন মাথা হওয়া মানে অতি বৃদ্ধ হয়ে মাথা যখন দুই হাঁটুর মধ্যে চলে আসে তখন বসে থাকলে মনে হয় তিন মাথা।)

বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা

Bookmark

Share

একবার গ্রামবাসী বৃষ্টির জন্য প্রার্থণা করল
সবাই খালি হাতে বাহিরে আসলেও
একটা ছেলে ছাতা নিয়ে বাহিরে আসলো

এটাই হচ্ছে বিশ্বাস।

ফুলের বাগান

Bookmark

Share

গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম একটা বিয়ের অনুষ্ঠানে। আমার ছোট ভাই তো গ্রাম দেখে মুগ্ধ। ঢাকা ফেরার পর তার মুখ থেকে গ্রামের প্রশংসা সরে না। বাসায় টিচার এলে গল্প জুরে দেয়, “স্যার জানেন, আমরা যেখানে বিয়ে খেত গিয়েছিলাম সেখানে বরের বাসার পিছনে অনেক বড় ফুলের বাগান ছিল। পুরো বাগানে কি সুন্দর ফুল ফুটে ছিল। আমি সেখানে ছবিও তুলেছি।”
টিচার বলল, “তাই নাকি, কই দেখাও তোমার ছবি। আমার ভাই যখন টিচারকে দেখালো তিনি হাসতে হাসতে শেষ। আসলে আমার ভাই সরিষা ক্ষেতকে ভেবেছিল ফুলের বাগান।

 

 

[সংগৃহীত]

বিশ্বাস করি নি

Bookmark

Share

একদিন এক গ্রামে একটি বিমান বিধ্বস্ত হলো। গ্রামবাসী যাত্রীদের মৃত মনে করে সবাইকে কবর দিয়ে দিলো। সেখানে এক মন্ত্রী ছিলো তাকেও কবর দিয়ে দিলো।
এই ঘটনা শুনে সাংবাদিকরাও আসলো। আসার পর গ্রামের এক বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করল_’আপনারা কি নিসচ্ছিত সবাই মারা গেছে?
বৃদ্ধ উত্তর দিল  ‘মন্ত্রী সাহেবকে কবর দেওয়ার সময় তিনি বলেছিলেন তিনি জীবিত কিন্তু রাজনীতিবিদ হওয়ায় আমরা বিশ্বাস করিনাই’

কমিউনিস্ট পার্টির মিটিং

Bookmark

Share

গ্রামে কমিউনিস্ট পার্টির মিটিং চলছে। বক্তৃতা দিচ্ছেন এক নেতা- কমরেডস, কেবল আমাদের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন হোক, দেখবেন উন্নয়নের জোয়ারে ভাসবে গোটা দেশ। আরে, তখন আমাদের সবারই একটা করে প্লেন থাকবে। এক মুর্খ চাষা প্রশ্ন করলো- প্লেনের মালিক হয়ে আমরা কি করব? নেতা: আরে কমরেড এটিও বুঝতে পারছেন না? ধরুন আপনার শহরের দোকানে আলুর সাপ্লাই নেই, নো চিন্তা, প্লেন নিয়ে মস্কো চলে যান, আলু কিনে ফিরে আসুন

ছবি তুলতে গর্ত

Bookmark

Share

এক লোক কোদাল দিয়ে গর্ত খুঁড়ছে। পাশ দিয়েই যাচ্ছিল এই গ্রামের আরেক লোক।
সে জিজ্ঞেস করল, ‘কিরে, গর্ত খুঁড়ছিস কেন?’ ‘ছবি তুলব তো, তাই গর্ত খুঁড়ছি।’
‘ছবি তোলার জন্য গর্ত খুঁড়ছিস, মানে?’
‘হয়েছে কী, আমার হাফ ছবি তুলতে হবে। আর জানিস তো, হাফ ছবি বুক পর্যন্ত হয়। তাই গর্তে নেমে ছবি তুলব। যাতে শুধু বুক পর্যন্ত ওঠে।’
এবার দ্বিতীয় জন বিষয়টা বুঝতে পেরে বলল, ‘তা কয় কপি ছবি তুলবি?’
প্রথম জন জানাল, ‘তিন কপি।’
দ্বিতীয় জন রেগে গিয়ে বলল, ‘আরে বোকার বোকা! তিন কপি ছবি তুললে একটা গর্ত খুঁড়ছিস কেন। আরও দুইটা খোঁড়।’