Archives for প্র্যাকটিক্যাল জোকস

পত্রিকার বিকল্প

Bookmark

Share

-তোমার কি মনে হয় টেলিভিশন পত্রিকার বিকল্প হতে পারে?
– কখনোই না।
– কেন?
– পত্রিকার উপর একটা মাছি বসলে তুমি কি সেটা টিভি দিয়ে বাড়ি দিয়ে তাড়াবে?

বাইশ বছর

Bookmark

Share

তিন বুড়োর দেখা হল এক পার্কে। পরিচিত হওয়ার পর নিজেদের মধ্যে আলাপ জুড়লো।
প্রথম বুড়োঃ আমার বয়স এখন ৮৬ বছর। দেখে নিশ্চয় তত মনে হয় না। জীবনে কখনো সিগারেট খাইনি, মদ ছুইনি, রাত জাগিনি।

দ্বিতীয় বুড়োঃ আপনার চেয়ে আমি আরো কিছু বছরের বড়। ৯০ পার হয়েছি। অবশ্য সংযম আমাকে কম করতে হয়নি। নিরামিষ খেয়েছি, ঢেঁকি ছাটা চাল ছাড়া আজো ভাত খাই না।  (বলে তৃতীয় বুড়োর দিকে তাকালো।  যাকে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বুড়ো মনে হলো।)

তৃতীয় বুড়োঃ আমার বয়স যখন মাত্র আঠার তখন বাবা একটি কথাই বলতেন – আনন্দই জীবন। আমি সারা জীবন আনন্দ করেই কাটিয়েছি। ভাঙ গাঁজা ছাড়া নেশা জমে নি। মদ, মেয়েমানুষ তো আছেই, স্ফূর্তি করেই জীবন কাটিয়েছি।

প্রথম বুড়োঃ কী আশ্চর্য!

দ্বিতীয় বুড়োঃ সত্যি! তা এখন তোমার বয়স কত হলো?

তৃতীয় বুড়োঃ বাইশ বছর।

আত্মীয় ট্রাফিক

Bookmark

Share

তিন বন্ধু সিনেমা হলে যাবার উদ্দেশ্যে একটা রিক্সায় চড়ে যাচ্ছে। পথিমধ্যে ট্রাফিক।

রিকশা চালকঃ একজন নাইমা পড়েন, সামনে ট্রাফিক।

১ম বন্ধুঃ কিছু হইব না, ট্রাফিক আমাগো আত্মীয়।

ট্রাফিক রিক্সায় তিনজন যাত্রী দেখে ড্রাইভারকে এক থাপ্পড় লাগালো।

রিক্সা চালকঃ সাব, আপনেরা আমারে দুইডা থাপ্পড় খাওয়াইলেন। এইনা ট্রাফিক আপনেগো আত্মীয়?

২য় বন্ধুঃ ঠিকই তো কইছি।আমাগো আত্মীয় তো ঠিকই কিন্তু তোর তো আত্মীয় না।

দু’নলা বন্দুক

Bookmark

Share

– বন্দুক কেনার সময় গলেছিলেন এর গুলি একশ’ গজ যাবে, এখন তো দেখছি মাত্র পঞ্চাশ গজ যাচ্ছে।
– দেখতে পাচ্ছেন না, বন্দুকটা দু’নলা। দুটো মিলিয়ে তো ওই এক শ’ গজই যাচ্ছে।

মাথাটা পুরনো

Bookmark

Share

– এই যে ভাই, বৃষ্টিতে ভিজছেন কেন? ছাতাটা খুলুন।
– আরে ভাই, মাথাটা পুরনো, ওটা একটু-আধটু বিজলে ক্ষতি নেই। কিন্তু ছাতাটা তো একেবারে নতুন। ওটা ভিজে গেলে খুব ক্ষতি হয়ে যাবে।

কাটলেট

Bookmark

Share

– ইস, এত শক্ত কেন কাটলেটটা!
– দেখি, এই তো আমি খাচ্ছি, বেশ নরমই লাগছে।
– নরম তো লাগবেই, পনের মিনিট ধরে চিবিয়ে রেখেছি কি না।

মিসেস জেসমিন

Bookmark

Share

মিসেস জেসমিন বাড়িত দোতলায় মিস্ত্রি দিয়ে রং করাচ্ছিলেন। কিছুক্ষণ পর তার মনে হল মিস্ত্রি খুব ধীরে ধীরে কাজ করছে। রান্নাঘর থেকে উপর দিকে তাকিয়ে চেঁচিয়ে উঠলেন তিনি, কি, কাজ করছ তো, নাকি ফাঁকি মারছ?
– না, কাজ করছি।
– আমি তো কোন আওয়াজ পাচ্ছি না।
– হাতুড়ি দিয়ে তো আর রং করা হয় না। আওয়াজ পাবেন কীভাবে?

মাদকবিরোধী সম্মেলন

Bookmark

Share

মাদকবিরোধী সম্মেলনে ভাষণ দিচ্ছিলেন এক কবি।
– যদি আমি একটা বালতিতে পানি আর অন্য বালতিতে মদ ভরে গাধার সামনে রাখি, বলতে পারেন গাধাটা কোন বালতিতে মুখ দেবে?
– পানির বালতিতে।
– কেন?
– ও গাধা বলে।

যুবক ও দর্জি

Bookmark

Share

এক যুবক একদিন দর্জির দোকানে গেল প্যান্ট বানাতে।
– একটা প্যান্ট বানাতে চাই। কতদিন লাগবে?
– কম করে একমাস।
– কী বলছেন! সৃষ্টিকর্তা দুনিয়াটা বানিয়ে ফেলল দুই দিনে আর আপনি একটা প্যান্ট বানাতে এক মাস সময় চাইছেন!
– তাড়াহুড়ার কাজ ভাল হয় না। দেখছেন না দুনিয়াটার অবস্থা!

প্রচণ্ড গরম

Bookmark

Share

প্রচণ্ড গরম পড়েছে। ডাব বেঁচছে এক ছেলে।
– ডাব কত?
– ১০ টাকা।
– কম কত?
– ঠিক আছে শেষ বেলা ৫ টাকা দেন।
– দুই টাকা দিবা?
– ঠিক আছে। আব্বুরে কমু কুত্তায় খায়া ফালাইছে।

Page 1 of 8:1 2 3 4 »Last »