Archives for হোটেল মোটেল

ভালো হোটেল

Bookmark

Share

একটা দামি হোটেলে ম্যানেজারের কাছে এলেন এক বোর্ডার।
– আমি হতাশ।
– কেন?
– আমার ধারনা ছিল এটা একটা ভাল হোটেল। এখন মনে হচ্ছে আমার ধারনা ভুল।
– কেন এ ধারনা হল?
– দেখলাম এক লোক একটা তরুণীকে প্রকাশ্যে ছুটে ধরার চেষ্টা করছে—ছি—ছি—
– তা লোকটি কি শেষ পর্যন্ত ধরতে পেরেছে?
– না তা পারে নি।
– তা হলে কী করে আপনি ধারনা করলেন আমাদের হোটেল ভাল না!

লাঞ্চ আওয়ার – চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট

Bookmark

Share

এক চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে দু’জন গেষ্ট বসেছে পৌনে তিনটার সময়। ঐ রেষ্টুরেন্টে তিনটা পর্যন্ত লাঞ্চ আওয়ার। ওয়েটার কিছুক্ষন ওদেরকে খাবার দেওয়ার পর হঠাৎ বন্ধ করে দিল। গেষ্ট – কী ব্যাপার? খাবার দেওয়া বন্ধ করে দিলে যে!

ওয়েটার – স্যার, কিছু মনে করবেন না। তিনটায় আমার ডিউটি শেষ। আপনারা অপেক্ষা করুন। সন্ধ্যা সাতটায় ডিনারের সময় আপনার বাকি খাবার দেওয়া হবে।

মরা ইঁদুর

Bookmark

Share

– ওয়েটার, স্যুপের মধ্যে একটা মরা ইঁদুর দেখা যাচ্ছে।
– চুপিচুপি খেয়ে নিন, স্যার। অন্য কেউ চাইলে আর দিতে পারব না।

শফিক সাহেব

Bookmark

Share

শফিক সাহেব হোটেলে উঠে ভীষণ রেগে গেলেন। অনেক্ষন ধরে ডাকাডাকি করে কোন ওয়েটারকে পেলেন না। ব্যাপারটা তিনি ম্যানেজারকে জানালেন।
ক্ষমা চেয়ে ম্যানেজার ওয়েটারকে ডেকে পাঠালেন। ওয়েটার এল। তিনি বললে, গর্ধব, এই ভদ্রলোক আধাঘন্টা ধরে কুকুরের মত চেঁচাচ্ছেন। তোমরা থাক কোথায়? এ রকম হলে শুধু শুয়োররাই এই হোটেলে থাকবে।

মরা মাছি

Bookmark

Share

খদ্দেরঃ আমার চায়ের কাপের তলানিতে মরা মাছি কেন?
বয়ঃ মাছিটা নিশ্চয়ই জানত না যে কীভাবে সাঁতার কাটতে হয়!

রেস্তোরাঁয় গোলমাল

Bookmark

Share

এক বেসামাল ব্যক্তি একটা রেস্তোরাঁয় গোলমাল করায় চার জন বেয়ারা তাকে ঘাড় ধরে ফুটপাতে ছুড়ে ফেলে দিল।
লোকটি তৎক্ষণাৎ উঠে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলল, আমাকে এভাবে হেনস্থা করা! আমি দেখিয়ে দিচ্ছি!
বাইরে লোকজন ততক্ষণে জমে গেছে।
লোকটি বলল, আমি ভেতরে গিয়ে ওই চার বেয়ারাকে এক এক করে রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলে দেব, আপনারা শুনুন।
লোকটি হুড়মুড় করে রেস্তোরাঁয় ঢুকে পড়ল। একটু পরেই একজন ফুটপাতে এসে মুখ থুবড়ে পড়ল।
সমবেত লোকজন বলল, এই হল এক!
পড়ে থাকা লোকটির ক্ষীণ কণ্ঠস্বর শোনা গেল, এক নয়, ওরা আমাকেই আবার ছুড়ে ফেলেছে!

দামি খাবার

Bookmark

Share

রেস্তোরাঁয় ঢুকে চার পাঁচ পদের দামি খাবার খেয়ে একটা পান মুখে দিয়ে ভদ্রলোক বেয়ারাকে ডেকে বললেন, “এখানকার ম্যানেজারকে একবার ডেকে দাও”।

বেয়ারা ম্যানেজারকে ডেকে দিল। ম্যানেজার আসল।

ভদ্রলোক বললেন, আপনি আমাকে চিনতে পারেন? দুই বছর আগে আমি এই রেস্তোরাঁয় খাওয়ার সময় সামান্য কুড়ি টাকা দিতে পারি নি। মনে পড়ে, সে সময় আপনি বেয়ারাদের দিয়ে আমাকে মেরে রাস্তায় বের করে দিয়েছিলেন?

– আমাদের মাফ করবেন স্যার, সে সময় ভুল করে আপনাকে…..
-ক্ষমা! ক্ষমার কথা হচ্ছে না। আপনি আপনার বেয়ারাদের ডাকুন। আজও আমার কাছে কিছু নেই।

অর্ডার দেওয়ার সময়

Bookmark

Share

– কী ব্যাপার, অর্ডার দিয়েছি কখন, খাবারের দেখা নেই।
– স্যার, আপনি কি পাকাচুলের কাউকে অর্ডার দিয়েছিলেন?
– অর্ডার দেওয়ার সময় তো কালোই ছিল, তবে এখনকার কথা বলতে পারছি না!

দু’জন রেস্তোরাঁ বয়

Bookmark

Share

প্রথম রেস্তোরাঁ বয়ঃ দেখ কাণ্ড। দু’নম্বর টেবিলের ভদ্রলোক আবার ঘুমিয়ে পড়েছেন। এই নিয়ে তিন বার হল। যাই, জাগিয়ে দিয়ে আসি।
দ্বিতীয় রেস্তোরাঁ বয়ঃ উনাকে টেবিল থেকে তুলে বার করে দাও না।
প্রথম রেস্তোরাঁ বয়ঃ না থাক। যতবার উনাকে ঘুম ভাঙিয়ে তুলছি ততবার উনি উনার বিল মিটাচ্ছেন।

সদ্য তৈরি রেস্তোরাঁ

Bookmark

Share

সদ্য তৈরি হওয়া এক রোস্তরাঁর মালিক তার রেস্তরাঁ খোলা উপলক্ষ্যে পরিচিত এক দম্পতিকে দাওয়াত করেছেন। অঢেল খাবার দাবারের আয়োজন, প্লেটে স্তুপীকৃত খাবার। খাওয়াদওয়ার মাঝপথে মালিক এগিয়ে এলেন।
– কেমন রান্না হয়েছে?
– ওফ! দারুণ! খাসা রান্না। আমার পা যতক্ষণ না যখম হয় ততক্ষণ খাওয়া চালিয়ে যাব।
– সে কী! আপনার পা যখম হবে কেন?
– বুঝলেন না। আমি যখনই খাবার গোগ্রাসে মুখে পরছি, তখনই আমার স্ত্রী পায়ে খোঁচা মারছেন। আমার যে ডায়াবেটিস।

Page 1 of 3:1 2 3 »